অভিধান বাংলা


English to Bengali Dictionary Logo
bengalinux.org/english-to-bengali-dictionary
অঙ্কুর প্রকল্পের একটি অংশ হিসেবে বাংলা অভিধান করা হয়েছে। অসম্পূর্ণ বা অঙ্কুরেই রয়ে গেছে বলা যায়। তবে শব্দযোগ
করার সুবিধা রয়েছে আপনারাও শব্দযোগ করে সমৃদ্ধ করতে পারেন।

ovidhan.org

অনেক বেশি বিজ্ঞাপন পুরো পাতা ভর্তি। রুচিকর কোনো ডিজাইনও করা হয়নি। বিভিন্ন ব্রাউজারে অনেক কিছুই কাজ করেনা। অভিধান ততোটা সমৃদ্ধ নয়, তবে মন্দের ভালো। বাংলা এন্ট্রিগুলো ইউনিকোডে নয়। ছবি রেখে দেয়া আছে। বাংলা থেকে বাংলা অভিধান এর অভাব পূরণ করে না। মূলত সংসদ বাংলা অভিধানের বাংলা থেকে ইংরেজী সংস্করণ। এটি দিয়ে মোটামুটি কাজ চলে।

bangladict.org
সিসটেক ডিজিটালের একটি উদ্যোগ। তেমন কার্যকর নয়, বলা আছে কেবল উইন্ডোজ এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারেই ওটি কাজ করে। তবে, এটি একেবারেই বাস্তব কাজের উপযোগী নয়।

Bangla Dictionary

dictionary.evergreenbangla.com
এটিকে মূলত ডিকশনারী বা অভিধান বলা যাবে না। মূলত ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ বা সিএমএস ইঞ্জিন ব্যবহার করে এটি তৈরি করা হয়েছে। মোটামুটি সমৃদ্ধ আর ইউনিকোডভিত্তিক। অন্যগুলোর থেকে এটি অনেকদিক দিয়ে এগিয়ে। এতে বিভিন্ন শব্দের উপর মন্তব্য করতে পারেন যে কেউ। একটি উদাহরণ দেখুন : অংশ শব্দটির উপর

অতীতে বা এখনো বাংলার উপর প্রচুর উৎসাহী লোক কাজ করেছেন। অনেকে অনেক গবেষণা করেছেন। কেউ অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রেকগনিশন(OCR), কেউ ভয়েস সিনথেসাইজেশন, ভয়েস রেকিগনিশন, অভিধান, ভাষান্তর ইত্যাদি নানাকাজে নানা সময়ে পণ্ডিত-অপণ্ডিত অনেকেই কাজ করেছেন। যারা এই পোস্টটি পড়ছেন তাদেরও অনেকেই উৎসাহ বোধ করবেন হয়তো। কিন্তু কথা হচ্ছে সমন্বয় সাধিত হবে কবে?

মুক্তিযুদ্ধ কেনো হলো?


দেশের বর্তমান অরাজকতা, সহিংসতা, দুর্নীতির জাতীয়করণ — এসব দূরীকরণের জন্যই
১। যুদ্ধাপরাধ
২। বিভিন্ন রাষ্ট্রনায়ক, নেতা, সেনাসদস্য, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড এবং বিভিন্ন অমিমাংসীত সহিংসতার বিচার হওয়া একান্ত জরুরী।

অতীতের জঘন্য অপকর্ম যদি কাঠগড়ায় জিজ্ঞাসিত না হয় আমরা সামনে এগুবো কী করে?

যারা বলে, “দেশে যুদ্ধাপরাধী নেই” তারা হয় যুদ্ধাপরাধী, নাহয় তাদের অনুগত অথবা আওয়ামী বিদ্বেষী।
আওয়ামী লীগ সাধারণ ক্ষমা করে অবশ্যই গর্হিত কাজ করেছিল, তাদের একদলীয় বাকশালও একটি ঘৃণ্য পদক্ষেপ ছিল। কিন্তু, আমাদের তো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্নে একে অপরকে কেবল দোষারোপ করতে পারিনা। অপরাধের বিচার হতেই হবে। তাকে উচিৎ সাজা দিতে হবেই। ধর্ষণকারীকে নামমাত্র পঞ্চায়েত দিয়ে দোররা পেটা করলে হবেনা। তাকে রাষ্ট্রের আইনে বিচার করতে হবে।

“অন্যায় যে করে
আর অন্যায় যে সহে
তব ঘৃণা যেন তারে
তৃণসম দহে।”

ট্রাফিক জ্যাম ভাবনা


১/ ফুটপাথগুলো হাঁটার উপযোগী করতে হবে, ধুলোহীন, মল-মূত্রহীন… মানুষকে আরো হাঁটতে হবে।
২/ ঢাকার বিকল্প সিটি করতে হবে।
৩/ পূর্ব-পশ্চিমে আরো অনেক রাস্তা করতে হবে।
৪/ সার্কুলার সিটি ট্রেন দরকার।
৫/ ট্রাফিক পুলিশ রাস্তায় লাইসেন্স চেক না করে স্ট্যান্ডে গিয়ে করবে। অযথা সময় ক্ষেপণ, যাত্রী হয়রানী বন্ধ করতে হবে।
৬/ অনেক স্থানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে টেম্পো/রাইডার/ম্যাক্সী/ল্যাগুনা ইত্যাদি যান চলে বড় বাস হলে ভাড়াও কম হয় যাত্রীরাও আরো নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে।
৭/ ঢাকাকে অন্যান্য উন্নত দেশের মতো আস্তে আস্তে বিকেন্দ্রীকৃত করে সিটির উপর চাপ কমাতে হবে।
৮/ কৃষিভিত্তিক জীবনে কৃষককে আরো স্বাচ্ছন্দ্য দিতে হবে। তাদের যাতে সিটিতে আসতে বাধ্য হতে না হয়।
৯/ অন্যান্য শহরগুলোর গুরুত্ব বাড়াতে হবে।
১০/ পর্যটনের জায়গাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানের করতে হবে, এত ভোট দিয়ে কী লাভ(ময়লা আবর্জনা ফেলার সৈকত কক্সবাজারকে সপ্তাশ্চর্য করবে বাঙালী)?
১১/ বেড়ানোর জায়গা, পিকনিক রিসোর্টগুলো নিরাপদ করতে হবে।
১২/ সিটির বাইরের কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে।
১৩/ আরো অনেক কিছুই করতে হবে… সবাই আলোচনা করুন 🙂
[পুনশ্চ কাল একটি কবিতা লিখেছি দয়া করে পড়ে দেখবেন]