মুক্তিযুদ্ধ কেনো হলো?


দেশের বর্তমান অরাজকতা, সহিংসতা, দুর্নীতির জাতীয়করণ — এসব দূরীকরণের জন্যই
১। যুদ্ধাপরাধ
২। বিভিন্ন রাষ্ট্রনায়ক, নেতা, সেনাসদস্য, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড এবং বিভিন্ন অমিমাংসীত সহিংসতার বিচার হওয়া একান্ত জরুরী।

অতীতের জঘন্য অপকর্ম যদি কাঠগড়ায় জিজ্ঞাসিত না হয় আমরা সামনে এগুবো কী করে?

যারা বলে, “দেশে যুদ্ধাপরাধী নেই” তারা হয় যুদ্ধাপরাধী, নাহয় তাদের অনুগত অথবা আওয়ামী বিদ্বেষী।
আওয়ামী লীগ সাধারণ ক্ষমা করে অবশ্যই গর্হিত কাজ করেছিল, তাদের একদলীয় বাকশালও একটি ঘৃণ্য পদক্ষেপ ছিল। কিন্তু, আমাদের তো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্নে একে অপরকে কেবল দোষারোপ করতে পারিনা। অপরাধের বিচার হতেই হবে। তাকে উচিৎ সাজা দিতে হবেই। ধর্ষণকারীকে নামমাত্র পঞ্চায়েত দিয়ে দোররা পেটা করলে হবেনা। তাকে রাষ্ট্রের আইনে বিচার করতে হবে।

“অন্যায় যে করে
আর অন্যায় যে সহে
তব ঘৃণা যেন তারে
তৃণসম দহে।”